সর্বশেষ সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার অনুপনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি কোন রকম বাঁশের চাটায় দিয়ে ঘেরা এই স্কুলটিতে জরাজীর্ণ ৩টি শ্রেণীকক্ষে প্রতিদিন ২৭০ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে আসছেন শিক্ষকরা। একটু বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাস আসলেই স্কুল ছুটি দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কারণ যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে দূর্ঘটনা। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাঠ্যদান নিচ্ছে। স্কুলের শ্রেণী কক্ষে বসার বেঞ্চের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী মাটিতে বসেও ক্লাস করে। এছাড়া স্কুলের প্রশাসনিক কোন ভবন না থাকার কারণে জরুরী কাগজপত্র সামলাতে শিক্ষকদের পড়তে হয় প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনায়। বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর। ছবি : পিবিএ/সনজিত কর্মকার

চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার অনুপনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি কোন রকম বাঁশের চাটায় দিয়ে ঘেরা এই স্কুলটিতে জরাজীর্ণ ৩টি শ্রেণীকক্ষে প্রতিদিন ২৭০ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে আসছেন শিক্ষকরা। একটু বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাস আসলেই স্কুল ছুটি দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কারণ যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে দূর্ঘটনা। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাঠ্যদান নিচ্ছে। স্কুলের শ্রেণী কক্ষে বসার বেঞ্চের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী মাটিতে বসেও ক্লাস করে। এছাড়া স্কুলের প্রশাসনিক কোন ভবন না থাকার কারণে জরুরী কাগজপত্র সামলাতে শিক্ষকদের পড়তে হয় প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনায়। বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর। ছবি : পিবিএ/সনজিত কর্মকার

চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার অনুপনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি কোন রকম বাঁশের চাটায় দিয়ে ঘেরা এই স্কুলটিতে জরাজীর্ণ ৩টি শ্রেণীকক্ষে প্রতিদিন ২৭০ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে আসছেন শিক্ষকরা। একটু বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাস আসলেই স্কুল ছুটি দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কারণ যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে দূর্ঘটনা। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাঠ্যদান নিচ্ছে। স্কুলের শ্রেণী কক্ষে বসার বেঞ্চের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী মাটিতে বসেও ক্লাস করে। এছাড়া স্কুলের প্রশাসনিক কোন ভবন না থাকার কারণে জরুরী কাগজপত্র সামলাতে শিক্ষকদের পড়তে হয় প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনায়। বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর। ছবি : পিবিএ/সনজিত কর্মকার