সর্বশেষ সংবাদ

ধান বিহীন শুকনো গাছকে গ্রামাঞ্চলে খড় বলা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে কৃষকরা খড়কে গাদা করে রাখতে অভ্যস্ত। যা পরবর্তিতে কৃষকরা তাদের গৃহপালিত পশুর শুকনো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। কিছুকাল আগেও গ্রামের মহিলারা খড়কে জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করতো। এখনও কিছু কিছু এলাকায় খড়কে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা যায়। দাম বৃদ্ধির কারণে জ্বালানি হিসেবে খড়ের ব্যবহার কমিয়ে গবাদি পশুর খাদ্য ও বিক্রির জন্য মজুদ করে রাখা হয়। পাইকাররা গ্রামে গ্রামে ঘুরে অঞ্চল ভেদে শুকনো খড়ের প্রতি আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকা দরে ক্রয় করে। ছবিটি বগুড়ার ধুনট উপজেলার সরুগ্রাম থেকে তোলা। সোমবার, ১ মার্চ। ছবি : পিবিএ/কারিমুল হাসান লিখন

ধান বিহীন শুকনো গাছকে গ্রামাঞ্চলে খড় বলা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে কৃষকরা খড়কে গাদা করে রাখতে অভ্যস্ত। যা পরবর্তিতে কৃষকরা তাদের গৃহপালিত পশুর শুকনো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। কিছুকাল আগেও গ্রামের মহিলারা খড়কে জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করতো। এখনও কিছু কিছু এলাকায় খড়কে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা যায়। দাম বৃদ্ধির কারণে জ্বালানি হিসেবে খড়ের ব্যবহার কমিয়ে গবাদি পশুর খাদ্য ও বিক্রির জন্য মজুদ করে রাখা হয়। পাইকাররা গ্রামে গ্রামে ঘুরে অঞ্চল ভেদে শুকনো খড়ের প্রতি আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকা দরে ক্রয় করে। ছবিটি বগুড়ার ধুনট উপজেলার সরুগ্রাম থেকে তোলা। সোমবার, ১ মার্চ। ছবি : পিবিএ/কারিমুল হাসান লিখন

ধান বিহীন শুকনো গাছকে গ্রামাঞ্চলে খড় বলা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে কৃষকরা খড়কে গাদা করে রাখতে অভ্যস্ত। যা পরবর্তিতে কৃষকরা তাদের গৃহপালিত পশুর শুকনো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। কিছুকাল আগেও গ্রামের মহিলারা খড়কে জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করতো। এখনও কিছু কিছু এলাকায় খড়কে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা যায়। দাম বৃদ্ধির কারণে জ্বালানি হিসেবে খড়ের ব্যবহার কমিয়ে গবাদি পশুর খাদ্য ও বিক্রির জন্য মজুদ করে রাখা হয়। পাইকাররা গ্রামে গ্রামে ঘুরে অঞ্চল ভেদে শুকনো খড়ের প্রতি আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকা দরে ক্রয় করে। ছবিটি বগুড়ার ধুনট উপজেলার সরুগ্রাম থেকে তোলা। সোমবার, ১ মার্চ। ছবি : পিবিএ/কারিমুল হাসান লিখন