একটি সবজি কোল্ড স্টোর বদলে দিতে পারে দিনাজপুরের দক্ষিণাঞ্চল


এনামুল কবির,নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর): দেশীয় শিল্প বিকাশে এবং কোভিড-১৯ এর বছরে আমাদের দেশের এ বিশাল জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে বাজেটে মাননীয় অর্থমন্ত্রী বেশ কিছু ক্ষেত্রে মুসক ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। কৃষিক্ষেত্র তার অন্যতম। সারাবছরই দেশে বিভিন্ন রকমের সবজি উৎপাদিত হয়। কিন্তু প্রান্তিক কৃষকরা বরাবরই সবজির প্রকৃত দাম পায় না। মধ্যস্বত্ত্বভোগী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা ভোগ করে থাকে। কৃষকের এ সমস্যা থেকে উত্তোরনের একমাত্র উপায় সবজি কোল্ড স্টোর। আলু কোল্ড স্টোরে রাখার ফলে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আলুর কোল্ড স্টোর তৈরীর ফলে কৃষকের আলুর সমস্যা কিছুটা সমাধান হয়েছে। তবে আরও বেশী আলু কোল্ড স্টোর তৈরী করতে পারলে কৃষকেরা এর সুফল আরও পাবেন এবং মধ্যস্বত্ত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমবে। কৃষক আলু চাষে অনেক বেশি উৎসাহিত হবে। খাদ্য ঘাটতি মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। সারাবছর দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রচুর সবজি উৎপাদিত হয়। এসব উৎপাদিত সবজির বাজার মূল্য মৌসুমে খুব কম থাকে। কারণ হিসেবে দেখা যায় ভরা মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন ও মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। মৌসুমের শেষের দিকে যখন উৎপাদন কমতে থাকে তখন আবারো দাম বাড়তে থাকে। কিন্তু কৃষকের তখন ফসল থাকে না। মৌসুমের সময় কৃষকরা দাম না পেলেও মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা ঠিকই লাভবান হন। এসব সবজির জন্য দিনাজপুর জেলার দক্ষিণপার্শ্বের নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর, বিরামপুর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী উপজেলা সহ জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলা গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মাঝামাঝি পর্যায়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার কোন স্থানে অথবা অন্য যেকোন সুবিধাজনক স্থানে একটি সবজি কোল্ড স্টোরেজ হলে সবজি চাষিদের ব্যাপক উপকার হত বলে মনে করেন এই এলাকার সবজি চাষিরা। দিনাজপুরের এই প্রান্তে একটি সবজি কোল্ড স্টোর হলে সারা বছর মানুষ বিভিন্ন জাতের সবজি খেতে পাবেন এবং মানুষের পুষ্টির চাহিদাও বেশ মিটবে। এব্যাপারে শিল্পপতি এবং সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
পিবিএ/এসডি

আরও পড়ুন...