এমপির আশ্বাসে যবিপ্রবিতে অনশন স্থগিত

পিবিএ,যবিপ্রবি: যবিপ্রবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ২য় দফায় অনশন শুরু করলে, যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের আশ্বাসে স্থগিত করেছে শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অন্তর দে শুভ এই দাবী করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ২০ শে ফেব্রুয়ারীর হামলার ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছ ঐ দিন ।

হামলায় গুরুতর আহত হয়ে সুজন, হৃদয় ও সাকিব সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তারপর ২২ শে ফেব্রুয়ারী থেকে ২য় দফায় অনশনে বসলে রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য ও সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ দাবি পুরনের আশ্বাস দেন। এছাড়াও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের আশ্বাসে আমরা অনশন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছি” ।

তিনি দাবী করেন, ২০১৮ সালে উপাচার্য স্যারের সাবেক পি.এস কামরুল হাসান ছাত্রলীগ নিয়ে কটুক্তি করলে আমরা তার প্রতিবাদ করি। ঐ ঘটনাকে পুঁজি করে ২০২০ সালে কোন তদন্ত ছাড়াই অন্তর দে শুভ এবং ইকরামুল কবীর দ্বীপ কে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া জাতির পিতা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার ছবি বিকৃতকারী উপাচার্যের অপসারণ করা না হলে পুনরায় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি হুশিয়ারী করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অন্তর দে শুভ, ইসমে আজম শুভ, আশিকুর রহমান, আরাফাত সুজন, মাহমুদুল হাসান সাকিব, মনিরুল ইসলাম হৃদয় ও মারুফ হাসান।

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগে বাধা প্রদান, উপাচার্যের কার্যালয়ে হামলা, শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসদাচরণ ও র‌্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি অন্তর দে শুভ এবং ইকরামুল কবীর দ্বীপ কে আজীবন এবং ইসমে আজম শুভ সহ ৩ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারই প্রতিবাদে ১৯শে ফেব্রুয়ারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগ সহ ৯ দফা দাবি নিয়ে অনশন শুরু করেন। পরে রাতে বহিরাগত আজিজুল ইসলাম ও রাসেল পারভেজের নেতৃত্ব লাইট বন্ধ করে তাদের উপর হামলা চালানো হয়।

পিবিএ/মোসাব্বির হোসেন/বিএইচ

আরও পড়ুন...