করোনার প্রভাবে দিনাজপুরে শাকসবজী নিয়ে বিপাকে কৃষক

পিবিএ,দিনাজপুর: করোনার প্রভাবে উৎপাদিত শাকসব্জী নিয়ে বিপাকে পড়েছেন দিনাজপুরের কৃষকরা। সিমিত পরিসরে নিদিষ্ট সময়ের পর হাটবাজার বন্দ থাকায় এবং গ্রাহকের অভাবে ফসল বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠছেনা তাদের। অন্যদিকে কীটপতঙ্গের হাত থেকে ফসল রক্ষায় নানান ধরনের কীটনাশক প্রয়োগে ফসলি জমিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। তবে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সার কীটনাশকের সংকটের কবলে পড়তে হচ্ছেনা তাদের।

বোরো ধান এবং ভূট্রাসহ শাকসব্জীতে ভরে রয়েছে দিনাজপুরের মাঠ। উৎপাদন ঠিক রাখতে ইউরিয়া পটাশ টিএসপি এবং ডেপসহ নানান ধরনের সারের পাশাপাশি মাঝরা পোকা দমনকারি কীটনাশকের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতাদের কাছে। বিভিন্ন ধরনের সারের মধ্যে খুচরা বাজারে ইউরিয়া ১৬টাকা পটা ১৫ টাকা, টিএসপি ২২ টাকা এবং ডেপ সার বিক্রি হচ্চে ১৬ টাকা কেজি দরে। মাজরা পোকা দমনকারি ভিরতাকো, ছত্রাক নাশক এ্যামিষ্টারসহ বিভিন্ন ধরনের কীটনাশকের দাম সরকার নির্ধারিত দরেই কেনাবেচা হচ্ছে খুচরা এবং পাইকারি বাজারে। দাম নিয়ে কোন অভিযোগ নেই ক্রেতা বিক্রেতাদের।

করোনার বিস্তার রোধে দুপুর ১টার মধ্যে হাটবাজারসহ সব ধরনের দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্দ রাখার নির্দেশ জারি করেছে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসন। এতে দৈনন্দিন বেচাবিক্রিতে হাতে সামান্য সময় পাচ্ছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। ভালজনক দাম পাচ্ছেননা তারা। তবে কীটপতঙ্গের প্রকোপ থেকে ফসল বাচাতে নানান ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছেন কৃষকরা। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছেনা তাদের।

কৃষি সম্প্রসারন অধিপ্তরের তথ্য মতে চলতি মোওসুমে ১লাখ ৭১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরোধান এবং প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে রবি ফসল আবাদ হয়েছে দিনাজপুরে।

পিবিএ/সালাহ উদ্দিন আহমেদ/এমএসএম

আরও পড়ুন...