কুনমিং : গাঙচিলের নিরাপদ আশ্রয়

পিবিএ ডেস্ক: উড়ছে পাখি। শত শত, হাজার হাজার। পাখির কলবর পুরো এলাকা জুড়ে।

কুনমিং শহরের কৃত্রিম জলাধারে এভাবে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নেয় অতিথি গাঙচিল। মানুষ আর পাখির এক গভীর সখ্যতা এখানে। নিশ্চয়তা আছে নিরাপত্তা আর খাবারেরও।

ঠিক তার পাশেই চীনের এইথনিক ভিলেজ। সকাল থেকেই যেখানে দর্শনার্থীদের কোলাহল। পুরো চীন জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৫৬টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মধ্যে ২৫টির বাস এখানে। পরিকল্পিতভাবে তৈরি এই ভিলেজ একবার ঘুরে দেখলেই একজন দর্শনার্থী জেনে যাবে তাদের জীবন বৈচিত্র্য, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য।

ভিলেজে ঢুকলেই দুই পাশে সারি সারি নানা দোকান। যেখানে প্রদর্শনীর পাশাপাশি একজন দর্শনার্থী কিনতে পারবেন আদিবাসী সংস্কৃতির নানা পণ্য।

আছে ধর্মীয় সংস্কৃতির নানা আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী সাদা হাতি, চীনের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কাঠে গড়া বহুতল আবাসস্থল খুব সহজে জানান দেয় তাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি।

প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে তোলা এ ভিলেজে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে বিনোদনের নানা ব্যবস্থা। চাইলে কিছুক্ষনের জন্য আপনি হয়ে যেতে পারবেন তাদের একজন। চীনা সংস্কৃতি, নৃত্য, খেলাধুলা, ঐতিহ্যবাহী খাবার মন কাড়ে বাংলাদেশী দর্শনার্থীদেরও।

পরিকল্পিত এ এইথনিক ভিলেজ নজর কেড়েছে বাংলাদেশেরও। তিন পার্বত্য জেলাকে ঘিরে এমন একটি পরিকল্পনার কথা জানায় পর্যটন মন্ত্রণালয়।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব বলেন, আমাদের তিনটি হিলট্রাক আছে, সেখানে একই ভাবে ইকোটুরিজম কিভাবে করতে হয়, সেটা আমরা ভাবছি।

সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে ধারন করে প্রকৃতি আর মানুষের মেলবন্ধনে এখানে আনন্দময় একটি দিন কাটাতে ছুটে আসেন ভ্রমণপিয়াসীরা।

পিবিএ/জেআই

আরও পড়ুন...

ঘরে বসেই নিজের বিকাশ একাউন্ট খুলুন