শিক্ষা অফিসারের মারধরে হাসপাতালে প্রধান শিক্ষিকা

আল-মামুন,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে এক প্রধান শিক্ষিকাকে পিটিয়েছে সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভায়ন খীসা। ঘটনার পর আহত শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরাকে (৪৪) খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট ২০২২) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

মৌসুমী ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি সদরের মহালছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৌসুমী ত্রিপুরা বলেন, সকালে বিদ্যালয়ের ভাঙা গেইট মেরামতের আবেদন নিয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভায়ন খীসার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। দীর্ঘ সময়েও তিনি আমার বিষয়টি নিয়ে কথা না বলায় তার দৃষ্টি আকর্ষণ করি। এসময় ক্ষুব্দ হয়ে তিনি আমার উপর অতর্কিতভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকেন। পরে অফিসের অন্যরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মিথিলা বড়ুয়া বলেন, রোগীর (মৌসুমী ত্রিপুরা) বা চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তার মাথায় ব্যাথা আছে। আমরা তাকে ভর্তি করেছি।

সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভায়ন খীসা বলেন, তিনি (শিক্ষিকা) অফিসে এসে আমার হাত-গলা ধরে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় তাকে আমি অপেশাদার আচরণ করতে নিষেধ করি। এই নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে তিনি দরজায় আঘাত পান। অন্যদিকে মৌসুমী ত্রিপুরা তাকে নিজের স্বামী দাবি করলেও সুভায়ন খীসা বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন বলেন, এ ঘটনায় যে জড়িত থাকবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়িতে এক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে পেটালেন সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুপায়ন খীসা। ঘটনার পর আহত শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরাকে (৪৪) খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। মৌসুমী ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি সদরের মহালছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৌসুমী ত্রিপুরার দাবি, সকালে বিদ্যালয়ের ভাঙা গেইট মেরামতের আবেদন নিয়ে গেলে সহকারী শিক্ষা অফিসার সুপায়ন খীসা তাকে মারধর করেছেন। সুপায়ন খীসাকে তার বৈধ বিবাহিত স্বামী বলেও দাবি করেন প্রধান শিক্ষিকা।

অন্যদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী শিক্ষা অফিসার সুপায়ন খীসা বলেছেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাক্কায় পড়ে গিয়ে দরজার সঙ্গে আঘাত পেয়েছেন প্রধান শিক্ষিকা। বিয়ের খবরটি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন বলেন, এ ঘটনায় যিনিই জড়িত থাকবেন; তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন...