গাইবান্ধায় সেই তরুণীর বিয়ে, মোহরানা পেলো নগদ ৫০ হাজার টাকা

মোঃ রিফাতুন্নবী রিফাত,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মহিন মিয়া নামের এক কলেজছাত্রের বাড়িতে বিয়ের দাবি নিয়ে স্কুলছাত্রী অনশন বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত এ বাড়ি আমি ছাড়বো না, এই শিরোনামে পিবিএ তে প্রকাশ হয়। এরপরই নড়েচরে বসে স্থানীয় মাতব্বর ও জনপ্রতিনিধিরা। বিয়ের দাবিতে তরুণীর করা অনশনের ৩৬ ঘন্টা পর প্রেমিক মহিন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। এই বিয়ের ৪ লাখ টাকা দেনমোহরানার মধ্যে নগদ ৫০ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয় মেয়েকে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে গাইবান্ধার সাঘাটার উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের শিমুলবাড়িয়া গ্রামে প্রেমিক জুটির বিয়ের কার্যাদি সম্পাদক করা হয়। এসময় শুরু মিষ্টি খাওয়ার ধুম।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কামালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহিনুর ইসলাম। তিনি বলেন, স্থানীয় রেজিস্ট্রার কাজী কামাল পাশা ও মৌলভী গোলাম রব্বানী এই বিয়ের কাজ সম্পাদন করে। এ বিয়ের ৪ লাখ টাকা মোহরানার মধ্যে নগদ ৫০ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেয় ছেলে পক্ষ।

এর আগে রোববার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকে সোমবার রাত পর্যন্ত উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের শিমুলবাড়িয়া গ্রামে বিয়ের দাবিতে অনশন অব্যাহত রাখে ছাত্রীটি।

জানা গেছে, শিমুলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল হাদি মিয়ার কলেজপড়ুয়া ছেলে মহিন মিয়ার সঙ্গে ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ওই ছাত্রীর হাঠাৎ পরিচয় হয়। কয়েক মাস আগে এই পরিচয়ের সুবাদে উভয়ের মধ্যে মন দেওয়া-নেওয়া চলে আসছিল। এরই মধ্য মহিন মিয়া ছাত্রীকে বিয়ে করবে মর্মে প্রতিশ্রুতি দেয়। সম্প্রতি মেয়েটি তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে বাড়িতে আসতে বলে। একপর্যায়ের ছেলের ডাকে সাড়া দিয়ে রোববার সকলে মহিনের বাড়িতে আসে। এসময় বিয়ের দাবি করলে সটকে পড়ে প্রেমিক মহিন মিয়া ও পরিবারের লোকজন। তবুও বাড়ির অবস্থান ছাড়েনি মেয়েটি। কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে ভেতর আঙ্গিনায় বিয়ের দাবি নিয়ে ৩৬ ঘন্টা ধরে অনশন করে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা রশি টানাটানি। একপর্যায়ে উভয়ের সম্মতিতে সোমবার রাতে কাবিনের মাধ্যমে বিয়ে পড়ানো হয়।

আরও পড়ুন...