চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার সিএমপি

২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সময়ও বাংলাদেশে সফরে এসেছিল ভারত। ওই বার মিরপুরে দুই প্রতিবেশীর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি প্রায় ফাঁকা মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবারও বিশ্বকাপে বাংলাদেশে এসে পূর্ণ শক্তির ভারত দল।

তবে দুই দলের সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজে স্মৃতি এখনও ভুলের যাওয়ার কথা নয়। ২০১৫ সালে সেই সিরিজে ভারতকে প্রথমবারের মতো সিরিজ হারিয়ে ছিল বাংলাদেশ। বেশ কয়েক বছর ধরে মুখোমুখি হওয়া আইসিসির বৈশ্বিক আসরে ভারতের সঙ্গে সমানে সমানে পাল্লা দিচ্ছে সাকিবরা। ফলে দুই প্রতিবেশীর ম্যাচের টিকিটের চাহিদা সব সময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে।

যার কারণে বিশ্বকাপ ফুটবলের মাঝেও দুই দলের খেলা উপভোগ করছেন সমর্থকরা। চলতি সিরিজের শেষ ওয়ানডে ও প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। সমর্কদের উপচে পড়া ভিড় সামলানোর জন্য খেলোয়াড়দের হোটেল ও জহুর আহমেদ স্টেডিয়াম ঘিরে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে নিরাপত্তার মহড়া শেষে সাংবাদিকদের বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার কৃঞ্চপদ রায়। এদিন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের সোয়াত এবং মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ দল মহড়ায় অংশ নেয়। সম্ভাব্য সন্ত্রাসী ঘটনা কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, বোমা বিস্ফোরণের মতো জরুরি পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিএমপির এই ইউনিট সমূহ মহড়া দেয়।

সিএমপি কমিশনার কৃঞ্চপদ রায় বলেন, ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে। আমাদের পুলিশের পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজ লাগিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেট দলের সফর ঘিরে পরিকল্পিতভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হোটেল থেকে মাঠে খেলোয়াড়দের আসা-যাওয়া থেকে শুরু করে সার্বক্ষণিক পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। র্যাব ও সোয়াটের সঙ্গে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট একই সঙ্গে মাঠে থাকবে।

উল্লেখ্য, গেল ৪ ডিসেম্বর সফরের প্রথম ওয়ানডে মিরাজের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে রোহিতদের হারিয়েছে ভারত। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে। তৃতীয় ম্যাচ আগামী ১০ ডিসেম্বর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। একই মাঠে ১৪ ডিসেম্বর শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ।

৯ ডিসেম্বর নগরের বিটাক মোড়, এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে টিকিট পাওয়া যাবে। এছাড়াও ম্যাচের দিন জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের বুথে টিকিট পাওয়া যাবে। যেখানে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড/ রুফটপ ১৫০০ টাকা, আন্তর্জাতিক গ্যালারি ১০০০ টাকা, ক্লাব হাউজ ৫০০ টাকা, পূর্ব গ্যালারি ৩০০টাকা ও পশ্চিম গ্যালারির টিকিটের মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন...