চাকরি ও অধিক মজুরী পেতে অবশ্যই দক্ষতা অর্জন করতে হবে

দক্ষ হয়ে বৈধ উপায়ে বিদেশ গেলে অর্থ ও সম্মান দুই-ই মেলে

মোঃ এমদাদ উল্যাহ: দেশে কর্মসংস্থানের অভাব, বিদেশে শ্রমিকের ব্যাপক চাহিদা এবং অধিক মজুরীর কারণে পুরুষ ও নারীরা শ্রম অভিবাসন করেন। এছাড়াও দারিদ্র্য, পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা, সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুযোগ সুবিধার অভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রতিহিংসা, মত প্রকাশের স্বাধীনতার অভাব, ধর্মীয় উত্তেজনা ও উদ্বেগ, গোষ্ঠী, বর্ণ ও জাতিগত দ্বন্দ, বৈষম্য ও নিপীড়নের কারণে অনেকে অভিবাসন করেন। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে শ্রম অভিবাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চলতি বছর করোনাকালেও বাংলাদেশ প্রবাসীদের পাঠানো ‘রেমিটেন্স’ আহরণে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের নভেম্বর চীনে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ শুরু হলে খুব দ্রুত তার প্রভাব বিশ^ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। স্থবির হয়ে পড়ে বিশ^ অর্থনীতি। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বিদেশের কর্মস্থান ছেড়ে দেশে চলে আসেন। চলতি বছরের গত আট মাসে বাংলাদেশে ফিরে আসা অভিবাসী কর্মীর সংখ্যা তিন লাখ ২৬ হাজার ৭৫৮ জন। এখন নতুন করে ২০ ডিসেম্বর থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে অনেকে বিদেশে যেতে পারছেন না। অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ। দেশে ফিরে আটকে পড়া প্রবাসী শ্রমিকরা একরকম ধোঁয়াশায় দিন কাটাচ্ছেন। ছুটিতে নিজ দেশে এসে করোনার কারণে কয়েক লক্ষাধিক শ্রমিক বিদেশে নিজ নিজ কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। দেশে ফেরত আসা প্রবাসীরাই শুধু সংকটে নন, বিদেশ যাওয়ার জন্য বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে টাকা জমা দিয়েছিলেন এমন হাজারো কর্মীও এখন অন্ধকারে। সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সিঙ্গাপুরসহ বেশ কয়েকটি দেশে যাওয়ার জন্য এজেন্সির কাছে লাখ লাখ টাকা জমা দেওয়ার পরও অনেকেই করোনা মহামারির কারণে বিদেশ যেতে পারছে না। ভিসা হওয়ার পরও ৭০ হাজারের বেশি কর্মী বিদেশ যেতে পারেননি। সেই সব কর্মী ফের বিদেশে পাড়ি জমাতে পারবেন কি না তা-ও বলতে পারছে না রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো।

এরপরও ২০২০ সালের জুলাই মাসেই বাংলাদেশ ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিটেন্স আহরণ করে। অপরদিকে নভেম্বর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১০৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৯ হাজার ৬১ কোটি টাকা রেমিটেন্স দেশে এসেছে। জুলাই থেকে নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত শ্রমজীবি বাংলাদেশী প্রবাসীরা ১ হাজার ৪’শ ১৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিটেন্স পাঠায়। যা গত অর্থ বছরের একই সময়ে ছিল ৭০৭ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। করোনাকালে রেমিটেন্স আহরণে চলতি বছর বাংলাদেশ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি ও পরিবারের সদস্যদের ভরণ-পোষণের তাগিদে বিশে^র ১৬.৪ কোটি অভিবাসী শ্রমিক এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাড়ি জমায়। এছাড়া পৃথিবীর মোট অভিবাসী ২৭.২ কোটি, শরণার্থী ২.৫৯ কোটি, রাষ্ট্রহীন মানুষ ৩৯ লাখ। বাংলাদেশ থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৬ লাখ ৪ হাজার ৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ৯৭ হাজার ৪৩০ জন নারী কর্মী বিদেশে গেছেন। তবে সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন সৌদি আরবে।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১৮ ডিসেম্বর ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস’ পালিত হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘মুজিব বর্ষের আহবান, দক্ষ হয়ে বিদেশ যান’। ছোট একটি স্লোগানের অনেক বিশ্লেষণ রয়েছে। অর্থাৎ দক্ষতা অর্জন করে বিদেশে গেলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। সুবিধাগুলো হলো-অধিক আয়ের সুযোগ, জীবনযাপনের মান উন্নত করতে পারা, উন্নত কাজের পরিবেশ, সঞ্চয়ের সম্ভাবনা, দেশে ফেরার পর বিনিয়োগ, জমিজমা, অর্থকড়ির মালিক হতে পারা এবং জীবনযাপনের সামগ্রিক মান বৃদ্ধি হয়। তাছাড়া দক্ষতার সনদ নিয়ে বিদেশে গেলে বিপদের সময় বিভিন্ন দফতরকে প্রয়োজনীয় কাগজ দেখানো যায়। কোম্পানি বা কফিল কাজ না দিলেও নিজ উদ্যোগে চাকরি বা কাজ খুঁজে নেওয়া যায়।

তবে এখনও পর্যাপ্ত প্রচারণার অভাবে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক অধিকাংশ পুরুষ-নারী তাঁদের অধিকার সম্পর্কে জানে না। কেউ কেউ আবার কোন কোন দফতর প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করে তাও জানতে চায় না। তারা শুধু বিদেশ গিয়ে কাজ করতে পারাকেই ‘নিয়ম’ মনে করেন! আসলে একজন প্রবাসী বা রেমিটেন্সযোদ্ধার সাথে জড়িত রয়েছে একটি পরিবার। কারণ-কাউকে জানিয়ে বিপদ শুরু হয় না। পিতা-মাতা, স্ত্রী ও সন্তানসহ পরিবারের অন্য সদস্যের কথা চিন্তা করেই দক্ষ হয়ে বৈধ উপায়ে পুরুষ ও নারীদের বিদেশ যাওয়া উচিত। এজন্য প্রত্যেককে যে বিষয়গুলো অনুসরণ করা উচিত-১. সব কিছু বুুঝে শুনে, লাভ-ক্ষতির হিসাব করে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া। ২.বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে সঠিক তথ্য দিয়ে নিজের পাসপোর্ট করা। অন্য কারও উপর ভরসা না করে নিজের পাসপোর্টের ফর্ম নিজেই পূরণ করা এবং জেলা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে জমা দেয়া। ৩.চাকরি নিয়ে বিদেশে যেতে হলে জেলা জনশক্তি অফিস(ডিএমও) এর ডেটাবেজ-এ নাম রেজিষ্ট্রেশন করা। ৪. বিদেশে যাওয়ার আগে এজেন্সির মাধ্যমে চাকরি এবং চাকরিদাতা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা। ৫.কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) গিয়ে চাহিদা অনুযায়ী কাজের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা। ৬.বৈধ উপায়ে বিদেশে যেতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের বৈধ চুক্তিপত্র সংগ্রহ করা। ৭.ভিসা আবেদনের পূর্বে মেডিকেল চেকআপ করা। জাল মেডিকেল রিপোর্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকা। ৮.ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করা। রশিদ ছাড়া কোন প্রকার টাকা লেনদেন না করা। টাকাসহ সকল লেনদেনের সময় স্বাক্ষী রাখা। ৯.ভিসা এবং চুক্তিপত্রের বৈধতা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), নিকটস্থ জেলা জনশক্তি অফিস(ডিএমও) অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে যাচাই করা। ১০.চাকরি নিয়ে বিদেশ যাওয়ার আগেই নিকটস্থ ডিএমও অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর করা বহির্গমণ ছাড়পত্র এবং স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করা। ১১. বিদেশ যাওয়ার আগে নিজের নামে একটি এবং পরিবারের নির্ভরযোগ্য সদস্যের সাথে আরেকটি যৌথ একাউন্ট খোলা। মনে রাখতে হবে, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। ১২.বিদেশে যাওয়ার আগে জেলা জনশক্তি অফিস হতে তিন দিনের প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেট গ্রহণ করা। ১৩.পাসপোর্ট, চাকরির চুক্তিপত্র, দেশের এবং বাইরের রিক্রুটিং এজেন্সি এবং জেলা জনশক্তি অফিস বা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য বিস্তারিত তথ্য, নিয়োগকর্তার বিস্তারিত তথ্য, যদি সম্ভব হয় যে দেশে কাজ করতে যাবেন সে দেশে বাংলাদেশী দূতাবাসে যোগাযোগের তথ্য, ব্যাংক একাউন্ট নম্বর সম্বলিত কাগজপত্র দুইটি কপি করে এক সেট নিজের কাছে এবং অন্য সেট পরিবারের দায়িত্বশীল সদস্য অথবা নিকটস্থ আত্মীয়ের কাছে রাখা।
বিদেশে অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট দেশের শ্রম আদালত, দূতাবাস বা বিএমইটিতে অনলাইনে ও ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডে যে কোন অভিযোগ করা যাবে। এছাড়া প্রতারিত হয়ে দেশে ফেরার পর জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, জেলা প্রশাসকের দপ্তর, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, স্থানীয় থানা, মানবাধিকার সংস্থা, এনজিওতে অভিযোগ করা যাবে। এর যে কোন একটিতে অভিযোগ করেই এগুতে হবে।

এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের প্রত্যাশাসহ দুইটি প্রকল্পের উদ্যোগে বিভিন্ন হাটবাজার ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভিডিও প্রদর্শনী, গণনাটক প্রদর্শন ও টি স্টল মিটিং করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিচালনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সারাদেশে প্রতারিত হওয়া যুবকদের স্বাভলম্বী হতে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনমতো নগদ অর্থ অনুদান দেওয়া হয়। এছাড়া বিদেশ যেতে ইচ্ছুক পুরুষ ও নারীদের সার্বিক বিষয়ে কাউন্সিলিং করতে ব্র্যাকের উদ্যোগে উপজেলা ভিক্তিক জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের সমন্বয়ে কমিউনিটি লেভেল বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি রয়েছে। এক কথায়-বিদেশ যেতে ইচ্ছুক এবং প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরা পুরুষ ও নারীদের কল্যাণে কাজ করছে এনজিও সংস্থা ‘ব্র্যাক’। সংস্থাটি অভিবাসন সু-শাসন নিশ্চিতকরণ, প্রবাস ফেরতদের পুণরেকত্রীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। যাতে কেউ প্রতারণার শিকার না হয়। যে কেউ ব্র্যাকের টোল ফ্রি ০৯৬১০১০২০৩০ নাম্বারে কল করলেই অভিবাসন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে। ইতোমধ্যে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন গ্রোগ্রামের আর্থিক সহায়তায় প্রবাস ফেরত প্রতারিত অসংখ্য যুবক স্বাভলম্বী হয়েছেন।

সাম্প্রতিকালে মিডিয়া সৌদিআরবে আবিরণ বেগম হত্যার ঘটনা ব্যাপক প্রচার হয়েছে। জানা গেছে, বোনদের পড়াশোনা ও পরিবারের খরচ জোগাতে ২০১৭ সালে বৈধ পথে সৌদিআরবে গিয়েছিলেন খুলনার আবিরণ বেগম। দুই বছর তিন মাস পর ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর আবিরণ লাশ হয়ে দেশে ফিরেন। সেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর সৌদি আরবের রিয়াদের (ক্রিমিনাল কোর্ট ৬) আদালতে আবিরন বেগম হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হয়েছে। আদালত হত্যা মামলায় আটক সৌদি নাগরিক আবিরনের গৃহকর্তা বাসেম সালেম, তাঁর স্ত্রী আয়েশা আল জিজানি এবং ছেলে ওয়ালিদ বাসেম সালেমের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আবিরনের পরিবার লাশ পরিবহন, সৎকারসহ সরকারের কাছ থেকে মোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পেয়েছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে আবিরণ বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার কারণে। আবিরণের মতো হাজারো নারী শ্রমিক নির্যাতনের শিকার ও মৃত্যু করলেও অবৈধ পথে যাওয়া শ্রমিকদের পরিবার বিচার কোন ধরনের ক্ষতিপূরণ পায় না। সুতরাং-পুরুষ ও নারী শ্রমিকদের জন্য দক্ষ হয়ে বৈধ উপায়ে বিদেশ যাওয়া আবিরণ একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ‘প্রত্যাশা’ এর ফিল্ড অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দক্ষ হয়ে বৈধ উপায়ে বিদেশ যেতে পুরুষ ও নারীদের সচেতন করতে ব্র্যাকের প্রত্যাশা প্রকল্প সারাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। যারা ২০১৫ সালের পর ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতারিত হয়ে ফিরে এসেছেন, তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে অনুদান দেয়া হচ্ছে। ব্র্যাকের অনুদান পেয়ে ব্যবসার মাধ্যমে পূনরায় স্বাভলম্বী হয়ে উঠেছেন।

বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র এর নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, ‘নারীসহ সকলের উচিত দক্ষ হয়ে বৈধ উপায়ে বিদেশে যাওয়া। বিদেশ যাওয়ার আগে প্রতারণা থেকে বাঁচতে ভিসা ও আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র যাচাই করে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, দক্ষ হয়ে বিদেশ গেলে সহজে চাকরি ও অধিক মজুরী পাওয়া যায়। তাছাড়া কাগজপত্র সঠিক থাকলে বিপদের সময় দূতাবাসসহ বিভিন্ন দফতর সাহায্যে এগিয়ে আসা সহজ হয়। দেশ ও বিদেশে শ্রমিকদেরকে প্রতারণা থেকে বাঁচতে ২০১২ সালের ট্রাভেলিং আইন কঠোরভাগে প্রয়োগ করতে সরকারের প্রতি আহবানও জানান তিনি’।

পিবিএ/এমএসএম

আরও পড়ুন...