নওগাঁয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন আ’লীগ প্রার্থী

বাবুল আখতার রানা,নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট একেএম ফজলে রাব্বি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। এ অবস্থায় একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তিনি।

এছাড়া সংরক্ষিত সদস্য পদে চারটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বিপরীতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৬জন। ১১টি সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৪৯জন। ১১টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে সাধারণ ওয়ার্ড ১ নম্বর থেকে ফজলে রাব্বী ও সাধারণ ওয়ার্ড ২ নম্বর থেকে সদস্য পদে ফারুক হোসেন ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ফলে একক প্রার্থী হিসেবে তাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নওগাঁ জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হতে চলেছেন।

নওগাঁ জেলা পরিষদ নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে একেএম ফজলে রাব্বি ছাড়া আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এ ছাড়া সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড-১ নম্বর থেকে দুইজন, ২ নম্বর থেকে পাঁচজন, ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ছয়জন ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তিনজন এবং ১১টি সাধারণ ওয়ার্ডে সদস্য পদে ৪৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মেয়র পদে এ কে এম ফজলে ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল না করায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

এছাড়া জেলা পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড ১ ও ২ নম্বর থেকে একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন যাঁরা একক প্রার্থী রয়েছেন তাঁদেরকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হিসেবে নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী রোববার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। আগামী ১৭ অক্টোবর নওগাঁ সহ দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বিকে ২০১১ সালে নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হন এবং একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন...