নওগাঁয় বিয়ের আগে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, আটক ১

শামীনূর রহমান,নওগাঁ: নওগাঁয় বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিকের ধর্ষণে স্বীকার হয়ে নবম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী আট মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়েছে। স্কুল ছাত্রী তার প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে বিয়ের দাবী করলে তা অস্বীকার করা হয়। এমনকি তাকে মারপিট করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়া হয়। সন্তানের পরিচয় ও স্ত্রী স্বীকৃতির দাবীতে আব্দুল মোমিন (২৩) নামে যুবকের বিরুদ্ধে থানায় বৃহস্পতিবার সকালে থানায় মামলা করা হলে পুলিশ তাকে আটক করে।

আটক যুবক সদর উপজেলার মৃধাপাড়া চক-এলাম মহল্লার সাজেদুর রহমানের ছেলে।

স্থানীরা জানান, আব্দুল মোমিন বিবাহিত। বিয়ের পরও তার প্রতিবেশী ওই স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক পর্যায়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এতে স্কুল ছাত্রী আট মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়ে। পেটে বাচ্চা আসার কথা গোপন রেখে সমাজে চক্ষু লজ্জার ভয়ে মেয়েটি বাড়িতে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। এছাড়া গর্ভের সন্তান নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মেয়েটি বিয়ের দাবি নিয়ে আব্দুল মোমিনের বাড়ীতে অবস্থান নেয়। আব্দুল মোমিন প্রেমের বিষয়টি অস্বীকার এবং তাকে মারপিট করে বাড়ী থেেেক বর করে দেয়।

বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী সহ তার পরিবার থানায় গিয়ে তার মা মৌখিক অভিযোগ করে। বৃহস্পতিবার অভিযোগটি আমলে সকালে অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ আব্দুল মোমিনকে আটক করে।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বলেন, আমার মেয়ের সাথে যে অন্যায় করা হয়েছে তার সঠিক বিচার চাই। আমরা গরীব মানুষ। আমাদের সাথে এ অন্যায় ওপর আলা সহ্য করবে না। আমি সঠিক বিচারের জন্য আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জান্নাতুন ফেরদৌসী বলেন, মামলার আসামীকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁ সদর থানার ওসি-তদন্ত রাজিবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার আব্দুল মোমিনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলার পর তাকে আটক করে দুপুরে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন...