পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্রছাত্রীদের কেমন আচরন করা উচিত?

পিবিএ ডেস্কঃ পরীক্ষায় বাচ্চা ভালো রেজাল্ট করবে, এমনটাই তো সব বাবা-মা চায়। এই চাওয়াতে কোনও সমস্য়া নেই। প্রবলেমটা শুরু হয় তখনই, যখন বাবা-মায়েরা এই বিষয়ে প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি শুরু করে দেন। এমনটা করলে বাচ্চার উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়, যা তার সুস্থভাবে বড় হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। জেতা যেমন জীবনের অঙ্গ, তেমনি হারাও। এই বিষয়টাই বাবা-মায়েদের উচিত তার বাচ্চাকে বোঝান। না হলে কিন্তু বিপদ! এই প্রবন্ধটি পড়লেই আপনি বুঝে যাবেন কেন আপনার উচিত বাচ্চার হেরে যাওয়টাকেও মেনে নেওয়া।

হারলে তবেই জেতা যায়ঃ আপনার বাচ্চা পরীক্ষায় ফেল করলে তাকে বকাবকি করবেন না। বরং আগামী সময়ে যাতে এমনটা আর না হয় সেই রাস্তা বার করে দেওয়াই আপনার কাজ।

উৎসাহ দিতে হবে বাচ্চাকেঃ তুমি ভুল করেছ, এমনটা যদি বারংবার আপনার বাচ্চাকে বলতে থাকেন তাহলে তার উপর মানসিক চাপ বাড়বে, যা তার সার্বিক বিকাশের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এমনটা করবেন না। পরিবর্তে যেভাবে সম্ভব তাকে উৎসাহ দিন। এতে আগামী দিনে আপনার বাচ্চার সাফল্য় পাওয়ার হার বাড়বে।

শাস্তি দিলে ভয় বাড়বেঃ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ভুলের শাস্তি হিসাবে যদি আপনি আপনার বাচ্চাকে খুব বকাবকি করেন তাহলে তার মনে ভয় ঢুকে যাবে, যা আগামী দিনে পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ কমাবে। তাই এই ধরনের ভুল কাজ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

বাচ্চার মনে রাগ জন্মাবেঃ বেশি বকাবকি করলে কিন্তু আপনার প্রতি বাচ্চার রাগ জন্মাতে বাধ্য়। বাবা-মা হিসাবে এমনটা নিশ্চয় আপনি চান না। তাহলে উপায়? বুঝিয়ে যে কোনও কাজ হাসিল করা সম্ভব, এটা মনে রাখলে দেখবেন আর কোনও প্রবলেমই হচ্ছে না।

আত্মবিশ্বাস কমতে পারেঃ রেজাল্ট ভালো করলেই বাচ্চা ভালো। আর উল্টোটা হলেই সে খারাপ, এমন ভবনা খুবই ধ্বংসাত্বক। কারণ এই ধরনের ভাবনা বাচ্চার মনে ঢুকে গেলে তার আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে, যা তার অগ্রগতির জন্য় একেবারেই ভালো নয়। তাই বাচ্চাকে সুন্দরভাবে বড় করে তুলতে সব সময় তার পাশে থাকুন, পাছে সে ফেল করুক কী পাশ।

পিবিএ/এমআর

আরও পড়ুন...