বসুন্ধরা বিটুমিন প্ল্যান্ট : উদ্বোধনের পরই উৎপাদন শুরু

পিবিএ,ঢাকা: দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন ‘বসুন্ধরা বিটুমিন প্ল্যান্ট’ উদ্বোধনের পরপরই উৎপাদন শুরু করেছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম বিটুমিন প্ল্যান্টটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরই এর উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁওয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের সিস্টার কনসার্ন বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড নির্মিত এই কারখানা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে উন্নমানের বিটুমিন রপ্তানিতে সক্ষম।

বিশাল কারখানাটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, বসুন্ধরা গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান সাদাত সোবহান তানভীর, বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান সানভীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এবং ওয়ালিদ সোবহান। এছাড়াও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। পিছিয়ে পড়াদের খাবার দিতে হবে। অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনতে হবে। সরকারের সহযোগিতায় প্রাইভেট সেক্টর এগুলো বাস্তবায়নে কাজ করছে। আমরা এতদিন দেশীয় বিটুমিন পাইনি। দেশে এর চাহিদার ৯০ শতাংশ আমদানি নির্ভর। দেশের বাইরে থেকে আমদানি করতে হতো সবসময়। এখন বসুন্ধরা গ্রুপ সে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছি আমরা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে প্রাইভেট খাত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পিতার স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছেন। সেই স্বপ্ন পূরণে হাজারও মানুষের কর্মসংস্থানের জোগান দিতে দেশে যারা এগিয়ে এসেছে, তাদের সম্মুখভাগে রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের পর উপভোগ্য লেজার শো প্রদর্শন করা হয়। সেখানে বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি খাতের উদ্যোগে গড়ে ওঠা বসুন্ধরা বিটুমিন প্ল্যান্টের চিত্র মূর্ত হয়ে উঠে।

পরিশোধিত ক্রুড অয়েলের উপজাত থেকে তৈরি বিটুমিন সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের মতো দেশগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমদানি করা বিটুমিনের ওপর নির্ভরশীল। এ দেশে বিটুমিনের মাসিক চাহিদা ৪২ হাজার টন। একইসঙ্গে এই চাহিদা প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে।

এ ক্ষেত্রে বসুন্ধরা বিটুমিন প্ল্যান্ট এককভাবে বছরে সাড়ে আট লাখ মেট্রিক টন বিটুমিন উৎপাদন করতে পারবে। ফলে সরকারের বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

পিবিএ/এমআর

আরও পড়ুন...