বিদায়ের আগে আগাম শুভেচ্ছা জয়ের

ছাত্রলীগের আগামীর নেতৃত্বকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির বর্তমান সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

তিনি বলেছেন, আজকে ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসবে। তাদের আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। নতুন নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আজ (মঙ্গলবার) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, জাতির পিতা জীবন-যৌবন দিয়ে শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ গঠন করেছিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেখ হাসিনা নির্দেশনায় পরিচালিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তার সারথি হিসেবে ছাত্রলীগ কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা যখনই সমস্যার সম্মুখীন হয়, ছাত্রলীগ নেতারা সেই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে। এছাড়া আমরা দেখেছি, করোনার সময় অন্য দলের ছাত্র সংগঠনগুলো কারও পাশে এসে দাঁড়ায়নি, তারা বাসায় বসে ছিল। কিন্তু নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কথায় বড় না হয়ে কাজে বড়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করা হয়। আমরা শুনেছি ছাত্রদলের নেতারা পরীক্ষার হলে না এলে নাকি ওইদিন পরীক্ষাই হতো না। সেই ছাত্র দল তৈরি করেছিল খুনি জিয়া।

জয় আরও বলেন, আজকে বিএনপি একটি মুখোশধারী দল। যে দলের মূল কাজ ছিল শিক্ষকদের গুলি করে হত্যা করা, শিক্ষার্থীদের দিয়ে টেন্ডারবাজি করা। তরুণ সমাজ এই দল চায় না।

সম্মেলন সঞ্চালনা করছেন ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। এছাড়াও আরও উপস্থিত আছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আরও পড়ুন...