“লাথি দিয়ে সরকার পতনের হুমকি দিয়েছিলেন ড. কামাল”


পিবিএ,জামালপুর: আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, লাথি দিয়ে সরকার পতনের হুমকি দিয়েছিলেন ড. কামাল হোসেন, পারেন নাই। তিনি আরও বলেছিলেন, নির্বাচন সঠিক হয় নাই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয়েছে। তাকে স্মরণ করে দিতে চাই, বঙ্গবন্ধুর কল্যাণে, সহযোগিতায় ও আশির্বাদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি দুই বার নির্বাচিত হয়েছিলেন। জীবনে যিনি কোনো নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারেন নাই, তিনি বলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হলে সেটা নাকি সঠিক নয়, আইন সম্মত নয়! যদি ফুটবল খেলায় অন্য পার্টি না আসে, যে পার্টি আসে তারাই চ্যাম্পিয়ন হয়।

শনিবার বিকালে জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা বঙ্গবন্ধু করে যেতে পারেন নাই। স্বপ্ন পূরণের আগেই স্বপরিবারে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সেই অসমাপ্ত কাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পন্ন করছেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী সেই পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা এখনও ষড়যন্ত্র করছে। যারা পাকিস্তানের উচ্ছিষ্টভোগী, যারা আইএসআইয়ের টাকা খায়, তারা এখনও খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়াকে সহযোগিতা করছে। ষড়যন্ত্র করছে। হাজার ষড়যন্ত্র করেও সরকারের পতন ঘটাতে পারবেন না।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি, সাংস্কৃািতক সম্পাদক বাবু অসীম কুমার উকিল এমপি, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক বেগম শামসুন্নাহার চাঁপা, সদস্য মারুফা আক্তার পপি, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এমপি ও বেগম হোসনে আরা এমপিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জনসভা সঞ্চলনা করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী ।

জেলা সদর, উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগসহ সহযোগী সংগঠনের রং-বেরংয়ের ব্যানার, ফেস্টুন সহকারে খন্ড খন্ড মিছিল জনসভাস্থলে প্রবেশ করে। সমাবেশে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেয়।
এর আগে দুপুর ১২ টায় শহরের বকুলতলায় জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মুর‌্যাল উন্মোচন করা হয়। উন্মোচন শেষে শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের কথা ছিল কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের। তাকে বরণে কয়েকশত তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানারে বর্ণিল সাজে সেজেছিল জামালপুর। শনিবার সকালে অসুস্থতাজনিত কারণে সমাবেশে যোগদান করতে পারেননি তিনি।

পিবিএ/রাজন্য রুহানি/এমএসএম

আরও পড়ুন...