লালমনিরহাটে ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা দিবস উদযাপন

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত,লালমনিরহাট: মুক্তিযুদ্ধের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণের মধ্যে দিয়ে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস।

মঙ্গলবার দিবসটি উপলক্ষ্যে পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা আরেফা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও হাতীবান্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহাগ। এছাড়াও বাউরা আরেফা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি নির্মান কাজের ভিত্তি প্রদান করা হয়।

১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়ানো হয়েছিল ।

পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব এমজি মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় বক্তব্য দেন হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন, হাতীবান্ধা – পাটগ্রামের সকল স্তরের জনগন, নেতাকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথি মাহমুদুল হাসান সোহাগ বলেন, “১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরু থেকে একের পর এক ঐতিহাসিক ঘটনাবলী ঘটতে থাকে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত হতে থাকে বাংলাদেশ।

“১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঐতিহাসিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসুর নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এর আগে তারা তৎকালীন ইকবাল হলে (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) বৈঠক করে ২ মার্চ পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেন এবং এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুর অনুমতি গ্রহণ করেন।”

ঐতিহাসিক এই দিবসের তাৎপর্য অনুধাবন করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন প্রজন্মকে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে এবং জাতি গঠনে নেতৃত্বে দিতে হবে।”

পিবিএ/এমএসএম

আরও পড়ুন...