শেরপুরে শ্যালিকা ধর্ষণ, দোলাভাই গ্রেফতার

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর: নিজ স্ত্রীর সহোদর বোন শ্যালিকাকে (১৯) ধর্ষণ ও ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণের অভিযোগে মুন্না খান (২৮) নাম এক সফটওয়্যার প্রকৌশলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।১১ অক্টোবর রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মুন্না সদর উপজেলার সাপমারী গ্রামের আব্দুস সামাদ খানের ছেলে।বিকেলে তাকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা হোসেন তুষি বুধবার রিমান্ড শুনানীর তারিখ ধার্য করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

শালিকার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্ষক মুন্না খানের শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর জেলায়।গত ৭ অক্টোবর মুন্নার স্ত্রী সন্তান প্রসব করে।বোনের দেখাশোনা করার জন্য মুন্না তার বিবাহিত শ্যালিকাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। দু’দিন থাকার পর শ্যালিকা ফরিদপুরে চলে যেতে চাইলে মুন্না তাকে ঢাকা পর্যন্ত দিয়ে আসবেন বলে রবিবার সকালে গাড়িতে করে শেরপুর শহরের নিজ বাসায় রাজবল্লভপুরের নিয়ে যান।সেখানে সে সকাল থেকে কয়েক দফায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে এবং কয়েকজনের সহযোগিতায় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে।

দুলাভাই মুন্না শ্যালিকাকে শাষিয়ে দেয় ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে।নিরুপায় হয়ে রবিবার রাতে শ্যালিকা ৯৯৯ ফোন করে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়।খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ রাজবল্লভপুরের বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে।পরে মধ্যরাতে ধর্ষক মুন্নাকে শহরের হাসপাতাল রোড থেকে পুলিশ আটক করে।ওই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে লম্পট ভগ্নিপতি ও তার ৩ সহযোগীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফী আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল আলম ভুঁইয়া বলেন, ওই ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর থানায় ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফ ধর্ষক ভগ্নিপতিকে পুলিশ রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সহযোগী অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

পিবিএ/এমএসএম

আরও পড়ুন...