রংপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

সারাদেশে আ’লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসবক লীগের দখল-লুটপাট চলছে


মেজবাহুল হিমেল,রংপুর: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রংপুর নগরীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে নগরীর গ্রান্ড গোটেল মোড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাকসুর সাবেক জিএস শহিদুল ইসলাম মিজু, জেলা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক রইচ আহাম্মেদ এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি সাবেক এমপি সাহিদার রহমান হোসনা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান রানা, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, মহানগর যুবদল সভাপতি মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুর রহমান মনু, রংপুর জেলা বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আসাদুর রহমান জাহিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারণ সম্পাদক মোকছেনুল আরেফীন রুবেল, মহানগর ছাত্রদল সভাপতি নুর হাসান সুমন, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মহানগর কৃষক দল আহবায়ক শাহ নেওয়াজ লাবু, মহানগর তাঁতী দলের আহবায়ক সাহেদ ইকবাল, সদস্য সচিব এমএম আলম পান্না, গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো: নাজমুল ইসলাম হুদা, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনতাসির মামুন মুন্না, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহীদ, রংপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এ্যাপলো চৌধুরী প্রমুখ।

জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আলম, মহানগর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহ আবু আলী মিঠু ও মহানগর বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান বিপু’র যৌথ সঞ্চলনায় আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে রংপুর মহানগর-জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপির সকলস্থরের নেতাকর্মীদের সুস্থ্যতা কামনা করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আজকের এই দিনটি বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৫ এর পূর্বে দেশে যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। জনগণের অধিকারকে হরণ করা হয়েছিল। আজকে আবার ঠিক একই কায়দায় বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে হরণ করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে আওয়ামী লীগ জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। এই মিথ্যাচার সরকার কিছুদিন আগে বলেছিলো, আমি বিপুল ভোটে জনসামর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছি। এতো বড় একটি মিথ্যাচার দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারে আমার এটা বিশ্বাস করি না। ভোট কারপুচি করেছে, দূনিতি করে ক্ষমতায় এসেছে। জনগণ জানে কিভাবে দেশ স্বাধীন হয়েছে। ৭ই নভেম্বরের ডাক দিয়েছিলো সিপাহী জনতা। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ পেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাধারণ মানুষকে নিয়ে দেশ স্বাধীনতা ঘোষনা দিয়েছে।

সারাদেশে আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসবক লীগের দখল-লুটপাট চলছে। অনিয়ম দুর্নীতিতে ভরে গেছে দেশ। নারী-নির্যাতন-ধর্ষণ চলছে। দাঙ্গা-হাঙ্গামা চলছে। সেজন্য আমরা আজকে শপথ নিয়েছি, গণতন্ত্রকে উদ্ধার করবো, মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং এই গণতন্ত্রের সংগ্রামকে অবশ্যই জয়ী করবো ইনশাল্লাহ।

পিবিএ/এমএসএম

আরও পড়ুন...