১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ হবে নজিরবিহীন: রিজভী

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যতই নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো হোক, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ সর্বকালের নজীরবিহীন সমাবেশ হবে। সব বাধা অতিক্রম করে এই গণসমাবেশে উপস্থিত হতে সংগ্রামী জনগণ আপসহীন লক্ষ্যে স্থির।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী অভিযোগ করেন, ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে-বাড়িতে তল্লাশির নামে ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছে পুলিশ। বানোয়াট মামলা দায়ের করে আসামি করা হয়েছে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকসহ ১০৯ নেতাকর্মীকে।

তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরসহ দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে অসংখ্য নেতাকর্মীকে আসামি করে তাদের গ্রেফতার, হয়রানি, দিনে-রাতে বাসায় পুলিশ হানা দিয়ে পরিবারের লোকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।

এসময় তথ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশের দিন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কর্মীরা প্রস্তুত থাকবে। বিএনপি তো গণসমাবেশ করবে, আর গণসমাবেশে মানুষের উপস্থিতিটাই একটি রাজনৈতিক দলের বড় অর্জন। সুতরাং সমাবেশকে সফল করতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য, সেটি রক্ষার জন্য একটি রাজনৈতিক দল সর্বাত্মক উদ্যোগ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এখানে তো সংঘাতের কোনো প্রশ্নই আসে না। গণসমাবেশকে নিয়ে মন্ত্রী তার দল ও সরকারের সর্বনাশা ইচ্ছারই প্রতিফলন করছেন। তবে আওয়ামী সরকার তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হবে।

তিনি বলেন, জনগণের বিশাল শক্তির কাছে চক্রান্তের কোনো আস্ফালন টিকতে পারবে না। এরইমধ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে বিএনপির গণসমাবেশে নানা ধরনের আক্রমণ সত্ত্বেও জনগণের অপ্রতিরোধ্য গতিকে আটকাতে পারেনি। তারা বহু কষ্ট করে দুই/তিন দিন আগেই সমাবেশস্থলে হাজির হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলা বিএনপির সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল ইসলাম তেনজিং, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন...